ইবিতে ছাত্রলীগ সভাপতি লাঞ্ছিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ নেশাগ্রস্ত কর্মীদের তোপের মুখে লাি ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার বেলা ১২ টার দিকে ছাত্রলীগের দলীয় ট্রেন্টে এই ঘটনা ঘটে। ওই সময় ছাত্রলীগের ২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষের শাহজালাল ইসলাম সোহাগ নামে এক কর্মী নেশাগ্রস্ত বিকার অবস্থায় টেন্টে বমি করতে করতে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। এই ঘটনায় ছাত্রলীগের একাংশের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

প্রতক্ষ্যদর্শীসূত্রে জানা যায়,শনিবার বেলা ১২ টার দিকে ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি শেষে নেতাকর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় করতে ক্যাম্পাসে আসেন। ওই সময় বিদ্রোহী গ্রুপের ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান লালনের নেতৃত্বে ২০/২৫ জন কর্মী ছাত্রলীগের দলীয় ট্রেন্টের পাশে অবস্থান নেয়। পরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় শাহজালাল ইসলাম সোহাগ ও স্বপ্নসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী সভাপতির উপড় চড়াও হয় ও গালিগালাজ শুরু করেন। এই ঘটনায় সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ ক্ষোভে ও মনক্ষুন্ন হয়ে দলীয় টেন্ট ত্যাগ করেন। এরই কিছুক্ষন পরে শাহজালাল সোহাগ বমি করতে করতে ট্রেন্টে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। এই ঘটনায় ছাত্রলীগের একাংশের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

শাহজালাল ইসলাম সোহাগ বলেন,‘ আমাদের বিষয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।’

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ বলেন, ‘বিদ্রোহী গ্রুপের কিছু কর্মী মাদকাসক্ত বিকার অবস্থায় খারাপ আচরণ করলে আমি ক্যাম্পাস ত্যাগ করি। মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগ ওদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের। যাইহোক ছুটি শেষে নেতাকর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় ও আবরার হত্যার বিচার দাবিতে লিফলেট বিতরনের জন্য ক্যাম্পাস গিয়েছিলাম।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্রাচার্য বলেন,‘ আমরা দেশব্যাপি প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবরার হত্যার বিচারের দাবিতে লিফলেট বিশ^বিদ্যালয়ের সভাপতি সেক্রেটারী বরাবর পাঠিয়েছি। সেখানে ইবির সভাপতি সেক্রেটারী যদি না পেয়ে থাকে তবে সেখানে হয়ত কোন সমস্যা আছে। ইবি ছাত্রলীগের চলমান বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।’

বিশ^বিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণ বলেন,‘ ছাত্রলীগের ট্রেন্টে এমন ঘটনা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। ঘটনাটি যদি সত্য হয় তবে আইনের আওতায় আনা হবে।’

এইচকেজে/ইবি