ইউএনও জসীম উদ্দিন ও প্রকৌশলী মহিউদ্দিন। ছবি : সংগৃহীত

বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রকৌশলীর দ্বন্দ্বের ঘটনা নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এর জের ধরে বাহুবলে বিরাজ করছে থমথমে পরিস্থিতি। পক্ষে বিপক্ষে কর্মসূচি গ্রহণ করায় এখন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

১৪ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পক্ষে উপজেলা সদরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এ কর্মসূচি থেকে উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীর মানহানীর মামলা প্রত্যাহার ও প্রকৌশলীর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

এদিকে আজ ১৫ মার্চ শুক্রবার উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীর পক্ষে পাল্টা মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হবে বলে জানা গেছে। এতে বাহুবলে দেখা দিয়েছে উত্তেজনা। উভয় পক্ষে সাধারণ মানুষ জড়িয়ে পড়ায় এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে ভেঙ্গে পড়েছে উপজেলা প্রশাসনের চেইন অব কমান্ড।

কেন এই উত্তেজনা বা আন্দোলন?

অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে অনেক দিন ধরে খোদ প্রশাসনেই রয়েছে অসন্তোষ।

জানা গেছ, মোঃ জসিম উদ্দিন এখানে আসার আগ থেকেই এমন পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

জানা গেছে ইউএনও অফিসের সহকারী হরিপদ ও পিআইও আষিস কর্মকার এবং উপজেলা চেয়াম্যান সহকারী কনক দেব মিটুসহ সদর ইউপি অফিসের এক পিওনের সমন্বয়ে উন্নয়নসহ প্রশাসনের যাবতীয় কাজ পরিচালিত হচ্ছে।

এ সুবাদে তারা ভোগ করছেন অবৈধ সুযোগ সুবিধা। তাদের এমন সম্পসম্পর্ক অনেকেরই মেনে নিতি পারছেনা। আর বরাবরের মত হরিপদ একক আধিপত্য দেখাতে গিয়ে গোলমাল তৈরি হয়েছে প্রকৌশলীর সাথে।

সুত্র জানায়, শুধু অলুয়া বাধ নয়, জলমহাল ও হাটবাজার ইজারা নিয়েও উল্লেখিত ব্যক্তিরা ফায়দা লুটছেন। হরিপদ ও পিআইও প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের আশ্রাযন প্রকল্প ২ এর উন্নয়ন নিয়েও আষিস কর্মকার ও হরিপদ অনেক অনিয়মের মাধ্যমে ফায়দা নিয়েছেন।

এছাড়া আরও অনেক তথ্য জানা গেছ।