বুধবার বিদ্যুৎ ভবনে ইআরপি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সভায় বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ‘আগামী প্রজন্মের কাজের পরিবেশ স্বহিমশ জনক করতে এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্লানিং ( ইআরপি) দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে ইআরপি প্রয়োগ করার কোন বিকল্প নেই। সংস্থার সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে এ সফ্টওয়ার কার্যকরি অবদান রাখবে।

১২ জুন বুধবার বিদ্যুৎ ভবনে ইআরপি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তি ব্যবহারে অনীহা দূর করতে হবে। দপ্তর প্রধান বা সচিব বা মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট অফিসের সার্বিক অবস্থা ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে জানতে পারবে। এতে উভয় পক্ষই উপকৃত হবে’।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাত দেশের অন্যতম সেবা খাত। ৯৩ ভাগ মানুষ এখন বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায়। এত বড় সেবা খাত সঠিকভাবে পরিচালনা করতে দ্রুত ডিজিটাল সেবা দিতে হবে। খুব শিঘ্রই বিদ্যুৎ বিভাগের সব দপ্তরে ইআরপি-এর আওতায় আসছে । ইআরপি সিষ্টেম চালু হলে কেন্দ্রীয় ভাবেই সব মনিটর করা যাবে। গ্রাহকের সেবার মানও বৃদ্ধি পাবে।

উল্লেখ্য, টেকভিশন, মাইক্রোসফট, কাম্পিউটার সার্ভিস ও টেকনো হেভেন এর মাধ্যমে ইআরপি বিদ্যুৎ বিভাগ করছে। এইচ আর (হিউম্যান রিসোর্স) সংক্রান্ত ডাটা সংগ্রহ করা হয়েছে। ফিক্সড এসেট নিয়ে ডাটা সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। আশা করা হচ্ছে আগামী অক্টোবর থেকে ইআরপি বিদ্যুৎ বিভাগে কার্যকর হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে পিডিবি‘র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ, আরইবি‘র চেয়ারম্যান মে.জে. মঈন উদ্দিন (অব.), পাওয়ার সেলের ডিজি মোহাম্মদ হোসাইন সহ দপ্তর প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

আজকের পত্রিকা/আর.বি/আ.স্ব