বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ছবি : সংগৃহীত

প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিচারিক আদালতের কার্যক্রম চলার কথা। কিন্তু বেগম জিয়ার মামলার ক্ষেত্রে চিত্র ভিন্ন। বেগম জিয়ার জন্য প্রায় আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা করলেন গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বিচারক।

২৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার যথা সময়ে আদালতে আসেন গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বিচারক। উপস্থিত হন অন্য আসামিরাও। কিন্তু মামলার প্রধান আসামি বেগম জিয়া কখন আসবেন কিংবা আদৌ আসবেন কিনা নিশ্চিত না হওয়ায় বিচারককে অপেক্ষা করতে হয়।

অবশেষে আদালতে তাঁকে হাজির করা হয় দুপুর একটায়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা দেরিতে বিএনপি নেত্রী আদালতে আসার পর মামলার কার্যক্রম চলে মাত্র ১০ মিনিট। দুদকের আইনজীবী, বিষয়টিকে অস্বাভাবিক বললেও প্রচলিত আইনসম্মত বলে মনে করছেন বেগম জিয়ার আইনজীবী।

আসামির জন্য বিচারকের অপেক্ষার বিষয়টিকে অস্বাভাবিক ও নজিরবিহীন বললেন দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজল। তিনি বলেন, ‘তাকে সকাল ১০টার মধ্যেই আদালতে হাজির করা জেল কর্তৃপক্ষেরই দায়িত্ব। কিন্তু পারিপার্শ্বিকতা, পরিবেশ এবং বেগম খালেদা জিয়ার দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা- বিভিন্ন কারণে জেল কর্তৃপক্ষ সেটা করতে পারছে না। আদালতে আসামির জন্য অপেক্ষা করার কোনো নজির নেই। কিন্তু একটা বিশেষ ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়েছে যার জন্য হয়তো নজির সৃষ্টি হচ্ছে।’

বিষয়টি আইনসম্মত বলে দাবি করেন বেগম জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার। তিনি বলেন, ‘আদালতে আসামি যতক্ষণ উপস্থিত না হয় আইন বলেছে, ততক্ষণ বিচারকার্য শুরু করা যাবে না।’

আগামী ১৮ মার্চ গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।