সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দেশের খ্যাতিমান কবি অসীম সাহা। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের খ্যাতিমান লেখক আহমদ ছফা স্মরণে ২৩ জুন রবিবার জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আহমদ ছফা : মানবিক ও দার্শনিক চিন্তার অগ্রপুরুষ’ র্শীর্ষক সেমিনার।

সেমিনারে উপস্থিত বক্তারা বলেন, আহমদ ছফা বাংলাদেশের একজন কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক ও দার্শনিক, যার লেখায় অসাম্প্রদায়িক এবং মানবিকবোধ সম্পন্ন দেশ, সৃজনশীল মানুষ এবং সমাজ নির্মাণের দার্শনিকতা উঠে এসেছিল।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দেশের খ্যাতিমান কবি অসীম সাহা। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ। এছাড়া আলোচনায় আরও অংশ নেন লোকগানের শিল্পী ফকির আলমগীর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় জাদুঘরের জনশিক্ষা বিভাগের কিপার শিহাব শাহরিয়ার। সেমিনার সভাপতিত্ব করেন জাদুঘরের মহাপরিচালক রিয়াজ আহেমদ।

এ সময় আহমদ ছফার জীবন ও কর্মের ওপর নানা তথ্য উপস্থান করে কবি অসীম সাহা কথাসাহিত্যিক বলেন, ‘আহমদ ছফার সমুদয় লেখায় দার্শনিকতা ও মানববোধ পরিষ্কার। তিনি বাংলাদেশের একজন কিংবদন্তি লেখক। তাকে বাংলাসাহিত্য থেকে কখনও আলাদা করা যাবে না।’

আহমদ ছফা একাধারে ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক। তাঁর লেখায় মানবিক সমাজ নির্মাণে দার্শনিকতার প্রয়োগই বেশি। তাঁর দার্শনিকতা হচ্ছে অসাম্প্রদায়িক ও মানবতাবাদে নিজস্ব বয়ান। সাম্যবাদের আলোকে কী হবে সমাজের চেহারা, তা তাঁর সব লেখায় তিনি উপস্থাপন করেছেন বলেও মন্তব্য করেন কবি অসীম সাহা।

এছাড়া প্রধান আলোচকের বক্তৃতায় ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, ‘বহুমাত্রিক গুণে গুণান্বিত আহমদ ছফা। অসম্ভব শক্তিমান ও প্রতিভাবান লেখক। সব সময় স্বপ্ন দেখতেন অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের। আলোকিত দেশ গড়ার বিয়য়টি ছিল তার লেখার মূল সুর। সে লক্ষ্যে লেখালেখি করে সফল হয়েছেন তিনি।’

আজকের পত্রিকা/সিফাত