এম. এ. আর. শায়েল
সিনিয়র সাব এডিটর

বরগুনার রিফাত হত্যা নিয়ে তিন চারদিন আগে একটি লেখায় আমি উল্লেখ করেছিলাম, আমরা তালেও নাচি, আবার বেতালেও নাচি! গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা দেখে আমার দৃষ্টিতে তাই মনে হচ্ছে।

পাঠক, আপনারা আবার আমাকে বলবেন না, আমি নাচ পছন্দ করি না। না, নাচানাচি আমিও পছন্দ করি। কারণ নাচ একটি শিল্প। তবে এই নাচানাচিতে যদি শিল্প না থাকে, কারো প্রাণনাশের কারণ হয় তখন বলার মতো কিছুই থাকে না।

চিলে কান নিয়ে যাওয়া একটি প্রবাদের কথা ছোট বেলা আমরা বইয়ে পড়েছি। কিন্তু চিলে কান নিয়ে যেতে দেখিনি। তবে কিছু মানুষ দেখেছি, যারা চিলে কান নিয়ে গেছে শুনেই চিলের পিছে দৌড়াচ্ছে। কিন্তু একজন সচেতন ব্যক্তি চিলের পিছে দৌড়ানোর আগে কানে হাত দিয়ে একবার দেখবেন না তার কানটা ঠিক জায়গা মতো আছে কি না।

মূল কথা হচ্ছে, পদ্মাসেতুর কল্লা কাটা নিয়ে। এর আগে বরগুনার আলোচিত রিফাত হত্যা নিয়ে অনেক কিছুই লেখা হয়েছে। রিফাত হত্যার নাটকীয়তা এতই ব্যাপক যে এটা নিয়ে আর বিন্দুমাত্র মন্তব্য করার ইচ্ছে আমার নেই। তবে রিফাত হত্যার নাটকের ইতি হতে না হতেই সামনে এলো আরেক ঘটনা। বাইরের দেশে গিয়ে বোমা ফাটালেন প্রিয়া বালা নামের এক ভদ্র মহিলা। যাকগে এ বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না। কারণ রাষ্ট্রীয় বিষয়। তবে হ্যাঁ একজন মুসলিম হিসেবে আমার মন্তব্য করার অনেক কিছুই আছে। তবে আজ নয়, অন্য আরেক লেখায় প্রিয়া বালাকে নিয়ে লিখার চেষ্টা করবো।

পাঠক বলছিলাম, পদ্মাসেতুর কল্লা কাটা নিয়ে। প্রথমে পদ্মাসেতুর কল্লা কাটা নাম দেয়া হলেও গত কয়েকদিন ধরে এর নাম দেয়া হয়েছে ‘ছেলেধরা’। আপনারা হয়তো বলবেন, এতে নতুনত্ব কি আছে? হ্যাঁ। নামে নতুনত্ব কিছুই নেই। নতুনত্ব আছে অন্য জায়গায়।

ছোটবেলায় শুনেছি, ছেলে ধরার কথা। বাস্তব অভিজ্ঞতা নেই। কিন্তু পাঠক গত কয়েকদিনের ঘটনায় আপনাদের মনে হয়তো একবারও প্রশ্ন জেগেছে, ‘ছেলেধরা’ এর মাঝে আবার নতুনত্ব কোথায়? গত ৪৮ ঘণ্টায় ছেলেধরা সন্দেহে সারাদেশে গণপিটুনিতে ৮ জনের মর্মান্থিক মৃত্যু হয়েছে। আর প্রত্যেকটিই ছিলো হৃদয়বিদারক ও মর্মস্পর্শী। নিহতদের মধ্যে ঢাকার বাড্ডা এলাকায় একটি স্কুলের সামনে গণপিটুনিতে নিহত তাসলিমা বেগম রেনুর মৃত্যুর ঘটনা ভাবিয়ে তুলছে দেশবাসীকে।

পাঠক আপনাদের হয়তো মনে হতে পারে এতে নতুনত্ব কি আছে। বলছি শোনেন, রেণুর মৃত্যুতে নতুনত্ব হয়তোবা কিছু নেই। তবে গণপিটুনিতে যারা আহত হচ্ছেন, গত কয়েকদিনের ঘটনা বিশ্লেষণ করে দেখলাম, তাদের বেশিরভাগই মানসিক ভারসাম্যহীন।

অবস্থাদৃষ্টে আমার মনে হচ্ছে, একশ্রেণির মানুষ মুখিয়ে আছে, কিংবা প্রতিজ্ঞা করেছে দেশে পাগল রাখা যাবে না। তাই যেখানেই দেখছে এলোমেলো, উসকু, খুসকু চুলের মানুষ, শরীরে ময়লা, আর্বজনা, মুখ ভর্তি দাড়ি, তাদেরকেই ছেলেধরা সন্দেহ করে নিজেদের রাগ মেটাচ্ছে। কিসের এতো রাগ ওই সব নিরীহ মানুষদের প্রতি? কি ক্ষতি করেছে ওই নিরীহ মানুষগুলো, যারা তাদেরকে মারছে? কোনো ক্ষতি করেনি।

আমরাইতো বলে থাকি, পাগলে কিছু বুঝে না, পাগলের কোনো বোধ শক্তি নেই। সে অনেক কিছুই করতে পারে। তাই বলে তাকে ছেলেধরা সন্দেহে ইচ্ছেমতো মারতে হবে?

আমি ছেলেধরার পক্ষে কোনো সাপাই গাওয়ার চেষ্টা করছি না। কারণ, ‘ছেলেধরা’ ইতোপূর্বেও ছিলো, বর্তমানেও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। আমি শুধু বলার চেষ্টা করছি, সন্দেহ করা ভালো। তবে এ যেনো সীমা না ছাড়ায়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ছেলেধরা সন্দেহ এমন একটা পর্যায়ে এখন চলে যাচ্ছে, সেই সন্দেহের হাত থেকে পাগলরাতো রক্ষা পাচ্ছেই না, সাধারণ মানুষও না।

অনেকে নিজেদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিকসহ বিভিন্ন বিরোধের প্রতিশোধ নেয়া শুরু করে দিয়েছেন ‘ছেলেধরা’ নামে।

আমরা গত কয়েকদিনে এমন ঘটনাও দেখেছি, কয়েকজন জেলে গেছে মাছ ধরতে, ব্যাগে মাছ নিয়ে ফেরার পথে একশ্রেণির কিছু গাঁজাখোর পাবলিক তাদের ব্যাগে মাছের মাথাকে মানুষের মাথা ভেবে জেলেদের গণপিটুনি দেয়। ভাগ্য ভালো, অন্যশ্রেণির কিছু মানুষ পুলিশে খবর দেয়, কিংবা পুলিশ নিজেরাই খবর পেয়ে জেলেদের উদ্ধার করে।

শুধুই কি জেলে? একজন মফস্বল সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সারাদেশের খবর রাখতে হয়। এইতো সোমবারও কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে, চট্টগ্রামের কলসি দীঘির পাড়ে দুই মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে গণপিটুনি দেয়া হয়। সিলেটের মৌলভীবাজারে এক যুবক তার বন্ধুর চিঠি প্রেমিকার নিকট পৌঁছে দিতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার হয়।

হবিগঞ্জে সিগন্যাল অমান্য করে মোটর সাইকেল চালিয়ে যাওয়ায় ছেলেধরা সন্দেহে তিনযুবককে গণপিটুনি দেয়া হয়। ঢাকার ধামড়াইয়ে ছেলেধরা সন্দেহে এক পরকীয়া প্রেমিককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এগুলো মিথ্যা কথা নয়, কিংবা বাতাসে ভেসে আসা কথা নয়।

কথা হলো আমরা কোনো ঘটনা না জেনেই ঘটনার কারণ অনুসন্ধান না করেই সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাচ্ছি। আমরা বিচক্ষণ মানুষ হিসেবে বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না।

১৫/২০ দিন আগে অল্প অল্প করে বাতাসে কিছু কথা ভেসে আসছিলো, বিশেষ করে ফেসবুক, ইউটিউবসহ যোগাযোগ মাধ্যমে। যে পদ্মাসেতু তৈরি করতে মানুষের কল্লা লাগবে। আমরা অনেকেই বিষয়টি পাত্তা দিচ্ছিলাম না।

গুজব বলে আখ্যা দিচ্ছিলাম। বিজ্ঞজনরা বলেন, শঙ্কার ভাই হলো গুজব। শঙ্কা থেকে নানা কথার ডালপালা মেলতে মেলতে গুজব ছড়ায়। এই সুযোগটাই নিয়ে থাকে এক শ্রেণির জ্ঞানপাপীরা। তারা সামনে আসে না, থাকে আড়ালে। সংশয়মাখা ঢিল ছুড়ে বিভ্রান্ত করে সহজ সরল মানুষকে।

যা বলছিলাম, কল্লা কাটার গুজব দিনে দিনে গত কয়েকদিনে কাল হয়েছে। সত্য প্রমাণিত করেছে নেত্রকোনার একটি ঘটনা।

এখানে এক ব্যক্তির ব্যাগে পাওয়া যায় একটি শিশুর কাটা মাথা। কিন্তু কি বলবো, সত্য না জেনে, কারণ অনুসন্ধান না করে এক শ্রেণির বিবেকহীন মানুষ লোকটিকে পিটিয়ে মেরে ফেললো। আসল কারণ জানা হলো না। শিশুর কাটা মাথা নিয়ে সংবাদ হলো সামাজিক যোগাযোগসহ গণমাধ্যমে।

এক কান থেকে দুই কান, এরপর তিনকান এভাবে পাঁচ কান হয়ে আজ আতংকের নাম হয়ে দাড়িয়েছে কল্লা কাটা। কিন্তু ভাববার বিষয় হচ্ছে এখন কল্লা কাটা পাওয়া যাচ্ছে না। তার আগেই কিছু স্বার্থপর ও ধান্ধাবাজ প্রকৃতির মানুষ পিটিয়ে মেরে ফেলছে সন্দেহভাজনদের। যাকে মারছে তাকে কিছু বলতেও দিচ্ছে না। আবার এমন একটি ঘটনাও ঘটেছে, এক লোক বোবা অর্থাৎ বাকপ্রতিবন্ধী। তাকেও পিটিয়ে মারতে দ্বিধাবোধ করেনি গাঁজাখোর মানুষগুলো।

গাঁজাখোর বলছি, এ কারণে কেনো মারছে, কি কারণে মারছে, এই লোকটার অপরাধ কি তা না জেনেই ছেলে ধরা ছেলে ধরা চিল্লাচিল্লি শুনেই হামলে পড়ছে।

ছেলেধরা, কল্লাকাটাকে আমি গুজব বলবো না। হ্যাঁ ছেলেধরা আছে, কল্লাকাটাও আছে। তবে এগুলো মূলত একটি মহল নিজেদের স্বার্থে বা ধান্ধার জন্য করে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনাগুলো দেখে আমার মনে হচ্ছে বাংলাদেশের উন্নয়নবিরোধী একটি মহল এই বিষয়টিকেই ইস্যু বানিয়ে সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলার চেষ্টা করছে। সরকার যাদের কাছে চক্ষুশূল তাদের কানে কানে রটিয়ে দিচ্ছে পদ্মাসেতুতে মাথা লাগবে।

অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে যাদের মনোকষ্ট হয়, তাদের মনোবাঞ্ছা পূরণ হচ্ছে না, তাই একটা ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে।

ওই লোকগুলো একবারও ভেবে দেখছে না, শোনা কথায় বিশ্বাস করে তারা কাকে মারধোর করছে, কার প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে? আজ যে লোকগুলো নিরপরাধ মানুষগুলো মারছে তাদের পরিবারের কথা একবারও চিন্তা করছে না মানুষের আড়ালে লুকিয়ে থাকা নরপশুগুলো। একবারও ভাবছে না, স্বজনরা হারানোর যন্ত্রণা কি? আজকে যে লোক মারছে, কাল যদি তাকে তার স্বজনকে কেউ মারে তখন তার কেমন লাগবে, সেটা একবার ভাবছে না মানুষ নামের কীটগুলো।

পাঠক বলছিলাম, চিলে কান নিয়ে গেছে, এমন ঘটনা নতুন নয়। কয়েকটি ঘটনার কথা উল্লেখ করছি : ১৭৬১ সালের শুরুর দিকে লন্ডনে পরপর দুইবার ভূমিকম্প আঘাত হানে। বেশির ভাগ মানুষের মনের মধ্যে একটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল- কখন কী হয়! আর এমন সময় ৫ এপ্রিল ১৭৬১ এই তারিখে বড় একটি ভূমিকম্পের শিকার হবে লন্ডন, ধ্বংস হয়ে যাবে সবকিছু-এই বলে প্রচারণা চালাতে থাকে একজন সৈনিক। মানুষও দুইয়ে দুইয়ে চার করতে সময় নেয়নি। যেই শুনেছে লন্ডন ধ্বংস হতে যাচ্ছে, যার যার মতো সবাই বাড়ি ছেড়ে পালানো শুরু করে দিয়েছিল। কয়েক মাস পর সৈনিকটির জায়গা হয় একটি মানসিক হাসপাতালে। কিন্তু লন্ডনতো ধ্বংস হয়নি, আজও আছে। কিন্তু মানুষ কি করলো?

শুধু কি লন্ডন, বাদ যায়নি আমেরিকাও। হ্যাকড হয়ে যাওয়া অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অ্যাকাউন্ট থেকে একটি টুইটে বলা হয় হোয়াইট হাউসে আকস্মিক একটি বিস্ফোরণ ঘটেছে, আর তাতে বারাক ওবামা আহত হয়েছেন। এই খবর প্রযুক্তির কল্যাণে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এই অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্ব-বাজার অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে, স্ট্যান্ডার্ড ও পোর-এর ৫০০ সূচক ১৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হারায়। পরে দেখা যায় এই টুইটটি মিথ্যা ছিল। ২০১৩ সালে এপ্রিলের ২৩ তারিখের একটি ভুয়া টুইট পুরো বিশ্বকে বোকা বানিয়েছিল।

১৯৯৮ সালে ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভায় জাদুকরদের আতঙ্কে অনেক গ্রামবাসী মারা যায়। আর এই নিয়ে দেশটিতে আন্দোলন প্রতিবাদ চলতে থাকে। এমন অবস্থায় জাদুকরদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ তাদের সরিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু তাতেও বাঁচাতে পারেনি জাদুকরদের। জাদুকরদের তৈরি গুজব গল্পের জন্যই গ্রামবাসী এত উত্তাল হয়ে উঠেছিল।

প্যারিসের রাস্তা থেকে একের পর এক শিশু উধাও হয়ে যাচ্ছে। রাস্তায় বেরিয়ে এক বাবা প্রতিবাদ শুরু করেন। এরই মধ্যে খবর আসে, রাজা লুইসের নাকি কুষ্ঠ রোগ হয়েছে। শিশুদের তিনিই অপহরণ করছেন, যাতে তিনি শিশুদের রক্তে গোসল করতে পারেন। সে সময় কুষ্ঠ রোগের নিরাময় হিসেবে একটি পদ্ধতি ছিল। ১৭৫০-এর দিকে এ গুজবটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সৌভাগ্যবশত এটি গুজব ছিল, শিশুরা আবার তাদের পরিবারে ফিরে গিয়েছিল।

আমি দেশের বাইরে যেতে চাচ্ছি না। আমার প্রশ্ন হলো, আমরা এখন কোন দিকে যাচ্ছি! হুজুগ বা গুজব থেকে বাঁচার উপায় কি?

যাইহোক পাঠক, লেখা আর দীর্ঘায়িত করবো না। সহজ কথায় যেটা বলতে চাইছি, সেটা হলো একটা বিষয়ে আমাদের খ্যাতি আছে, তাহলো ‘হুজুগ জাতি’। আমাদেরকে এ থেকে বের হওয়া উচিত?

সময়টা ভালো যাচ্ছে না। চারিদিকে হুজুগের ছড়াছড়ি। হুজুগ থেকে বাদ যাচ্ছে না কেউ। এই হুজুগ সীমা ছাড়িয়েছে। হতাহতের ঘটনা ঘটছে।

হুজুগ বা গুজব নিয়ে সামাজিক অবক্ষয় বেশিদিন চলতে দেয়া যায় না। দেশের আইটি বিশেষজ্ঞ ও সরকারের প্রতিনিধিরা এই বিষয়ে আরও একটি শক্তিশালী আইন প্রণয়ন করবেন বলে আমি মনে করি। পাশাপাশি শুধু ফেসবুক স্টাস্টাসের উপর ভিত্তি করে গণমাধ্যমেও যেনো কোন প্রতিবেদন না হয়। সেদিকেও কর্তৃপক্ষকেও দৃষ্টি দেয়া জরুরি বলে মনে করছি।

কেননা এমন কিছু সেনসিটিভ বিষয় রয়েছে, যা নিয়ে হুজুগিপনা চলে না। আসুন আমরা কান দিয়ে ভালো কিছু শুনি, মানুষ না মারি। কেননা এমন কিছু হুজুগ রয়েছে, যা অমার্জনীয় অপরাধ। সরকার এই হুজুগের বিষয়ে সুস্পস্ট আইন তৈরি করুক আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই।

কারণ, স্পর্শকাতর বিষয়ে গুজবকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলে আমি মনে করি।

লেখক : সাংবাদিক