অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০-এ প্রকাশিত হচ্ছে কবি ও লেখক হাসনাত শোয়েবের প্রথম উপন্যাস ‘বিষাদের মা কান্তারা’। বইটি প্রকাশ করছে বুকিশ পাবলিকেশন্স। প্রচ্ছদ করেছেন আবীর সোম।

উপন্যাসটি সম্পর্কে লেখক জানিয়েছেন, ‘বিষাদের মা কান্তারা- এমন কিছু যা অনেক দিন ধরে লিখতে চাচ্ছিলাম। এমন একটা ফিকশন যেটা আমি অনেকদিন ধরে খুঁজে বেড়াচ্ছিলাম। আমি নিজে এটাকে উপন্যাস বলে দাবি করছি, যদিও আমি নিশ্চিত যে অনেকেই সে দাবি মানবে না। এই সময়ে এসে আমি ফর্মটাকে মোটেই গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে করি না। আমি যা বললাম তা কোনোভাবে পাঠককে আলোড়িত করতে পারছে কিনা, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। সে বিবেচনায় আমার উপন্যাস দাবি করা কিংবা না করাতে কিছুই যায় আসে না। শেষ বিচারে টেক্সটটা পৌঁছাতে পারছে কিনা, সেটাই বিবেচ্য। যদি পারে তো হলো, নয়তো নাই। এটুকুই। তবে দিন শেষে এই উপন্যাসে আমি বলতে চেয়েছি মানুষের বিষণ্নতার কথা, পৃথিবীর সৃষ্টি ও ধ্বংসের কথা। এমন একটা বিষাদগ্রস্ত সময়ের কথা আমি বলতে চেয়েছি, যার মাঝে আমরা সবাই বাস করছি। এই বইটা আমি উৎসর্গ করেছি, আমার নানা-নানীকে। আমার মনে হয় কাছাকাছি সময়ের মধ্যে তাদেরকে হারানোর যে বিষাদ, সেটা কোনো না কোনোভাবে এই বইয়ের ভেতর লুকিয়ে আছে।’

বন্দর নগরী চট্টগ্রামে জন্মেছেন হাসনাত শোয়েব, বড়ও হয়েছেন সেখানেই। ছোটবেলার থেকেই বই পড়ার প্রতি ঝোঁক ছিল তার। পড়তে পড়তেই কবিতার জগতে আসা। ২০১২ সাল থেকে কবিতা লেখার প্রতি মনোযোগী হন তিনি। তখন থেকেই বিভিন্ন লিটলম্যাগ এবং ওয়েবে তার কবিতা প্রকাশিত হচ্ছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্র থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করে বর্তমানে সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত তিনি।

২০১৫ সালে মেঘনাদ প্রকাশনী থেকে প্রথম প্রকাশিত হয় হাসনাত শোয়েবের কবিতার বই ‘সূর্যাস্তগামীমাছ‘। ২০১৭ সালে জেব্রাক্রসিং থেকে বের হয় তার দ্বিতীয় কবিতার বই ‘ব্রায়ান অ্যাডামস ও মারমেইড বিষ্যুদবার’। ২০১৮ সালে জেব্রাক্রসিং আবারও বের করে তার মেটাফিকশনধর্মী বই ‘শেফালি কি জানে‘। সর্বশেষ ২০১৯ সালে আগামী প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয় কবিতার বই ‘দ্য রেইনি সিজন‘।

আজকের পত্রিকা/সিফাত