রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। ছবি : সংগৃহীত

অতীতের গ্লানি, দুঃখ, জরা মুছে, অসুন্দর ও অশুভ পেছনে ফেলে নতুন কেতন উড়িয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ জাতীয় জীবনে আরো সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক এই প্রত্যাশা করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ।

১৩ এপ্রিল শনিবার বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেছেন, ‘১৪ এপ্রিল রবিবার সারা দেশে জাতি উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ উদযাপন করবে।’

উৎসবমুখর বাংলা নববর্ষের এই দিনে রাষ্ট্রপতি দেশবাসীসহ বাঙালিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান, শুভ বঙ্গাব্দ ১৪২৬।

তিনি বলেন, ‘বাংলা নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ উৎসব সর্বজনীন ও অসাম্প্রদায়িক। এর মধ্যে নিহিত রয়েছে বাঙালির আত্মপরিচয় এবং জাতিসত্তা বিকাশের শেকড়।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলা নববর্ষের এই বর্ণিল উদযাপন মানুষের মাঝে অনাবিল আনন্দ, উৎসাহ-উদ্দীপনা আর সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আসে।’

পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে বাংলার লোকজ-সংস্কৃতির মূল্যবান অনুষঙ্গ যেমন যাত্রাগান, পালাগান, পুতুলনাচ, হালখাতা, অঞ্চলভিত্তিক লোকসংগীত, খেলাধুলাসহ গ্রামীণ মেলা যেমন প্রাণ ফিরে পায়, তেমনি বাংলা ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প হয়ে ওঠে উজ্জীবিত। ব্যবসা বাণিজ্যেও এর ইতিবাচক প্রভাব তাৎপর্যপূর্ণ।

আবদুল হামিদ বলেন, ‘আমাদের বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও স্বকীয়তা আজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বীকৃত। পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা ২০১৬ সালে জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে, যা বাঙালি হিসেবে বিশ্বের বুকে আমাদের মর্যাদাকে বাড়িয়ে দিয়েছে।’

আজকের পত্রিকা/আর.বি/জেবি