বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজকে মারধর করেছে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া তার এক ভাবিকেও লাঞ্ছিত করেছে বলে জানা যায়। যদিও কুষ্টিয়া পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সেখানকার অনেকের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ কাউকে মারধর করেনি।

৯ অক্টোবর বুধবার কুষ্টিয়ার কুমারখালীর রায়ডাঙ্গায় আবরার ফাহাদের গ্রামের বাড়িতে যান বাংলাদেশ বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। তবে স্থানীয়দের বাধার কারণে তিনি আবরারের বাড়িতে প্রবেশ করতে পারেননি। এদিকে বুয়েট উপাচার্য আবরার ফাহাদের এলাকায় গেলে উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিশি পাহারায় উপাচার্য ফাহাদের বাড়ির উদ্দেশ্যে যেতে চাইলে এলাকাবাসীর বিক্ষোভের মুখে পড়েন। সেখানে ধাক্কাধাক্কি ও জটলার সৃষ্টি হয়। এ সময় আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজও সেখানে ছিলেন।

এ সময় ফাইয়াজ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কুষ্টিয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান কনুই দিয়ে আমার বুকে আঘাত করেন। আমার এক ভাবিকেও তারা লাঞ্ছিত করেছে। আমার ভাইকে মেরে ফেলা হয়েছে এখন আমাকেও মারতে চাইছে।’

তবে এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, ফাইয়াজ উপাচার্যকে মারতে উদ্যত হলে তিনি তা নিরসন করেন। এছাড়া আশপাশের কয়েকজন উপাচার্যের দিকে তেড়ে আসেন।

আজকের পত্রিকা/সিফাত