আনন্দ শিপইয়ার্ড এ্যান্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরুজা বারী। ছবি : সংগৃহীত

‘আনন্দ শিপইয়ার্ডের দিকে অনেকের শ্যেন দৃষ্টি পড়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন আনন্দ শিপইয়ার্ড এ্যান্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরুজা বারী। ২০ মে সোমবার নারায়ণগঞ্জের মেঘনাতীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বাংলাদেশ অভ্যন্তরিন নৌ পরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) অভিযানকালে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামণা করে আনন্দ শিপইয়ার্ড এ্যান্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরুজা বারী বলেন, ‘আনন্দ শিপইয়ার্ডকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে। এ ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ও সব অর্জনকে ক্ষুন্ন করতে একটি চক্র উঠে পড়ে লেগেছে। তারা পরিকল্পিতভাবে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণেদিত ভাবে নানা ধরণের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে’।

আফরুজা বারী আরও বলেন, ‘বিশ্বমানের জাহাজনির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আনন্দ’র সুনাম দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের প্রথম জাহাজ রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান হওয়ার গৌরব অর্জনের পাশাপাশি নানা অর্জন ও সফলতাই অনেকের চক্ষুশুল হয়েছে। যে কারণে সময়ে অসময়ে তারা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণেদিত ভাবে নানা অপ প্রচার ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির পাঁয়তারা করে আসছে।’

তিনি বলেন, ‘আইনের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধাশীল থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও যাবতীয় নিয়ম কানুন মেনে আমরা আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। এরপরেও যখন এরকম অপপ্রচার চালানো হয় যা খুবই দু:খজনক’।

আফরুজা বারী দু:খ প্রকাশ করে বলেন, ‘কখনও ঋণখেলাপী, কখনও নদী দখলকারী ইত্যাদি নানা অপবাদ দিয়ে জনমনে আনন্দকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে’।

আসলে সুস্থ প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে এমনটা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, ‘দেশ ও দেশের মানুষের উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছি। আনন্দ ক্ষতির সম্মুখিন হলে স্বাভাবিকভাবে দেশও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যে কারণে এ অবস্থার নিরসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদয় হস্তক্ষেপ কামণা করছি।’

এসময় এএসএসএল’র চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহেল বারীসহ প্রতিষ্ঠানের আরও অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। আনন্দ শিপইয়ার্ড নদীর জায়গা দখল করেছে-সম্প্রতি দেশের খ্যাতনামা একটি দৈনিকে প্রকাশিত এক সংবাদে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বিআইডব্লিউটিএ উচ্ছেদ দল আসে এদিন। কিন্তু শিপইয়ার্ডটির বিরুদ্ধে ওঠা এমন অভিযোগের কোন সত্যতা খুঁজে না পেয়ে বিষ্ময় প্রকাশ করেন এবং বিব্রতও হন।

আজকের পত্রিকা/আর.বি/আ.স্ব