ঢাকা ওয়াসা। ছবি : সংগৃহীত

প্রথমবারের মতো দূষিত পানির বিষয়টি স্বীকার করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে ঢাকা ওয়াসা। ১৬ মে বৃহস্পতিবার বিচারপতি জেবিএম হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে ওয়াসার প্রতিবেদনটি জমা দেয়া হয়।

ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খান স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকার ৬৯ এলাকার পানি বেশি দূষিত। এছাড়া ওয়াসার ১১টি জোনের পানি পরীক্ষার পর ৬৯টি এলাকার পানিই অনিরাপদ বলে প্রমাণিত হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ওয়াসার সরবরাহকৃত বাসা বাড়ির ট্যাপের পানি পরীক্ষা করে এই প্রতিবেদন দেয়া হয়। এ সময়, কেবল পানি উৎপাদন করা ওয়াসার এমডির দায়িত্ব নয়, মানুষের দোরগোড়ায় বিশুদ্ধ পানি পৌঁছে দেওয়ায় তার কাজ বলে মন্তব্য করেন আদালত। এ সময় আদালত মন্তব্য করেছেন, ওয়াসার দায়িত্ব বাড়ি পর্যন্ত নিরাপদ পানি পৌঁছে দেয়া। এছাড়া পানি পরীক্ষার মত জানতে ঢাবি বায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যানকে ২১ মে হাজির হতে বলেছেন আদালত।

ওয়াসার পানি দূষণের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধানের মতামত জানতে চায় আদালত। ২১ মে তাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৩ মে সোমবার শুনানিতে আদালতের নির্দেশের পরও ঢাকা ওয়াসার কোন কোন এলাকার পানি সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ তা পরীক্ষা করে প্রতিবেদন না দেয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ঢাকা ওয়াসার পানি পরীক্ষায় যে অর্থ খরচ হবে, তা নির্ধারণ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে ১৫ মে বুধবারের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত।

আজকের পত্রিকা/আ.স্ব/জেবি