চার ফুট গভীর ওই গর্ত থেকে পাথরটাকে বের করার পর চক্ষু চড়কগাছ। ছবি:সংগৃহীত

জমিতে চাষের কাজ করছিলেন একদল কৃষক। ২৪ জুলাই, বুধবার দুপুরের সময় হঠাৎ বিকট শব্দে কান ঝালাপালা হয়ে গেল তাঁদের। সেই সঙ্গে আকাশ থেকে কিছু একটা পড়ল। ধোঁয়ায় ঢেকে গেল চারিদিক। হতচকিত কৃষকরা দৌড়ে কিছুটা দূরে চলে গেলেন। তার পর সব কিছু শান্ত হতে আবার ফিরলেন। দেখলেন, একটি বড়ো গর্ত হয়েছে আর সেখানে রয়েছে একটি পাথর।

চার ফুট গভীর ওই গর্ত থেকে পাথরটাকে বের করার পর চক্ষু চড়কগাছ। এই ধরনের পাথর তাঁরা কখনও দেখেননি। এটা যে সাধারণ কোনো পাথর নয়, সেটা বুঝে গিয়েছেন ভারতের বিহার রাজ্যের মধুবনির জেলা প্রশাসক সিরাসত কপিল অশোক। তিনি বলেন, “এই পাথর সাধারণ কোনো পাথর নয়। ১৫ কিলো ওজনের এই পাথরে ম্যাগনেটিক শক্তি রয়েছে। পাথরের একটা দিক অসম্ভব চকচক করছে।”

এর পরেই বিজ্ঞানীদের এই পাথরটি দেখানো হয়। বেশির ভাগ বিজ্ঞানীর মত, এটি উল্কা। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে তামিলনাড়ুতেও এ রকম একটি ঘটনা ঘটেছিল। আকাশ থেকে পাথর পড়ায় এক বাসচালকের মৃত্যুও হয়। সেটাকেও উল্কা পড়া হিসেবেই ধরে নেওয়া হয়েছিল, যদিও তামিলনাড়ুর ঘটনাটিকে উল্কা বর্ষণ বলে মানতে চায়নি নাসা।

আজকের পত্রিকা/এসএমএস