ঈদের ছুটিতে একটু না হয় বেশিই খেয়ে ফেলেছেন, তখনই শুরু হয়ে যাবে অস্বস্তিকর গ্যাসের সমস্যা। ছবি: সংগৃহীত

পেটে গ্যাসের সমস্যায় যারা ভুগে থাকেন তারাই বোঝেন এটা কত যন্ত্রণার। একটু ভাজাপোড়া খেয়েছেন অথবা ঈদের ছুটিতে একটু না হয় বেশিই খেয়ে ফেলেছেন, তখনই শুরু হয়ে যাবে অস্বস্তিকর গ্যাসের সমস্যা। তাই নজর রাখতে হবে নিজের খাওয়া-দাওয়ার প্রতি, জেনে নিতে হবে কোনটি খাওয়া উচিত হবে কোনটি খাওয়া যাবে না-

যা যা খাবেন না
ডাল ও ডাল জাতীয় খাবার: ডাল, বুট, ছোলা, বিন, সয়াবিন ইত্যাদি খাবারে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, সুগার ও ফাইবার, যা সহজে হজম হতে চায় না।

ব্রকলি, পাতাকপি, বাঁধাকপি: এ ধরনের সবজিগুলোতে রয়েছে ‘রাফিনোজ’, যা পাকস্থলীর ব্যাকটেরিয়া ফারমেন্ট না করা পর্যন্ত হয় হয় না।

দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার: দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার পর যদি দেখেন পেটে গ্যাস হচ্ছে, তার অর্থ হচ্ছে আপনার খাবার হজমে সমস্যা রয়েছে। হজম হয় না বলেই এগুলো আপনার পেটে গ্যাস উদ্রেকের জন্য দায়ী।

আপেল ও পেয়ারা: আপেল ও পেয়ারাতে রয়েছে ফাইবার এবং ফ্রুক্টোজ ও সরবিটোল, যা সহজে হজম হতে চায় না।

লবণাক্ত খাবার: লবণের সোডিয়াম অনেক বেশি পানিগ্রাহী। অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার খেলে পাকস্থলীতেও সমস্যা শুরু হয়।

যা যা খাবেন
শসা: এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।

দই: দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়।

পেঁপে: নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।

কলা ও কমলা: কলা ও কমলা পাকস্থলীর অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

আদা: পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান, দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে।

আজকের পত্রিকা/সিফাত