ম্যাচ শুরুতেই জুভেন্টাসের কাছে গোল খেয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল লোকোমোতিভ। সমতায় ফিরতে দলটি উল্টো চাপ তৈরি করেছিল প্রতিপক্ষকে। জবাব দিতেও খুব বেশি দেরি করেনি। ম্যাচের ১২ মিনিটের মধ্যেই ১-১ গোলের সমতা ফিরেন তারা। এরপর গোলের দেখা নেই অনেকক্ষণ। গোলের জন্য মরিয়া হয়েছিল দুই দলই। শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসিটা হাসলো জুভরাই।

নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষে যোগ হওয়া সময়ে রেফারি বারবার সময় দেখছিলেন কখন শেষ বাঁশি বাজাবেন। ঠিক তখনই স্বাগতিকদের স্তব্ধ করে দিয়ে বল জালে জড়ালেন কস্তা। ২-১ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জুভেন্টাস। পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত সব গোল রক্ষা করা লোকোমোটিভের গোলরক্ষক নাহলে এমন ভুল করবেন কেন? রোনালদোর এক শটেই বল ধরতে গিয়ে গোলমাল করে ফেললেন তিনি। তার পায়ের ফাঁক গলে বল বেরিয়ে যাওয়ার পথে বাকি কাজটুকু সারেন অ্যারন র‌্যামসে। ম্যাচের ১২তম মিনিটে মিরানচুকের গোলে সমতায় ফেরে তারা।

দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কয়বার গোলের সুযোগ পেয়েছিল লোকোমোতিভ। যদিও কোনো কাজে লাগাতে পারেনি। গোলের জন্য মরিয়ে জুভেন্টাসের খেলোয়াড়েরাও প্রতিপক্ষের গোলমুখে শট নিয়েছেন বেশ কয়বার। ৫৬ মিনিটে হিগুয়েইনের বাড়ানো বলে জোরালো শট নেন রোনালদো। লোকোমোটিভের গোলরক্ষক রোনালদোদের গোলবঞ্চিত করেন। রোনালদোর বদলি হিসেবে দিবালা নেমেও কিছু করতে পারেননি। তবে কাজ হয়েছে খেদিরাকে তুলে ডগলাস কস্তাকে নামিয়ে। যোগ হওয়া সময়ে ব্রাজিলিয়ান এই তারকার গোলেই অনেকটা অল্পের জন্যই বাঁচলো ইতালিয়ান এই ক্লাবটি। এই জয়ের মাধ্যমে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ১৬ নিশ্চিত করলো জুভেন্টাস।

আজকের পত্রিকা/সিফাত