অফিসে আমাদের সবারই ভালো কিংবা একটু খারাপ দিন যায়। ছবি: সংগৃহীত

অফিসে আমাদের সবারই ভালো কিংবা একটু খারাপ দিন যায়। কিন্তু এমন সময় আছে যখন আমরা খারাপ মেজাজ নিয়ে জেগে উঠি এবং কিছুই আমাদের মেজাজ ভালো করতে সাহায্য করে না, তাই না? এখানে মেজাজ ঠিক করার কিছু উপায় দেওয়া আছে, যা আপনার মন থেকে নেতিবাচক চিন্তাগুলি দূর করতে এবং শান্ত হতে সাহায্য করবে।

ফটো গ্যালারি দেখুন

খুশি মুহূর্তের ছবিগুলো দেখার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির মেজাজ ঠাণ্ডা হয়। ছবি: সংগৃহীত

আপনি যখনই খারাপ অনুভব করবেন তখনই আপনার ফোনের ফটো গ্যালারিটি খুলুন। আপনার শেষ ছুটির দিনগুলো, বন্ধুদের এবং পরিবারের সদস্যদের সমস্ত ছবিগুলো দেখতে শুরু করুন। যুক্তরাজ্যে সম্পন্ন গবেষণা অনুযায়ী, খুশি মুহূর্তের ছবিগুলো দেখার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির মেজাজ ঠাণ্ডা হয় এবং ভালো বোধ করে।

হেঁটে আসুন

হাঁটা আপনার মেজাজ শান্ত করতে সহায়তা করে। ছবি: সংগৃহীত

আমরা জানি যে এই উপদেশ ইতোমধ্যে আপনি অনেকবার শুনেছেন। তবে এটির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও আছে। হাঁটা আপনার মেজাজ শান্ত করতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যেসব ব্যক্তি বিরতির সময় বাইরে অল্প সময়ের জন্য হেঁটে আসে, তাদের তুলনামূলক ভাবে ঘুমের সমস্যা কম হয় এবং মেজাজ শান্ত থাকে।

ডেস্ক পরিষ্কার

এলোমেলো কিংবা নোংরা ডেস্কের কারণে আপনার মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

আপনি হয়তো উপলব্ধি করতে পারছেন না যে, এলোমেলো কিংবা নোংরা ডেস্কের কারণে আপনার মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাচ্ছে। কাগজপত্র গুছিয়ে রাখা, অপ্রয়োজনীয় জিনিস ফেলে দেওয়ায় আপনার মস্তিষ্ক ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে এবং এর ফলে আপনাকে আরও ভালো বোধ করতে পারেন।

গান

গান আপনার মেজাজকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। ছবি: সংগৃহীত

অনেক গবেষণাতেই বলা হয়েছে যে, সঙ্গীত আপনার মেজাজকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। আপনার পছন্দের গানটি শুনলে, আপনার যত চাপ আছে তা দূর হয়ে যায়। ক্লাসিক্যাল, পপ, রক, জ্যাজ ইত্যাদি সহ বিভিন্ন রকমের গান রয়েছে, যা আপনাকে শিথিল করতে এবং মন হালকা করতে সহায়তা করে।

সঠিক জিনিস সম্পর্কে চিন্তা করুন

যা আছে এবং যা অর্জন করেছেন, তা নিয়ে কৃতজ্ঞতার সাথে এগিয়ে যান। ছবি: সংগৃহীত

মনে রাখবেন, আপনার চারপাশের সবাই তার নিজের যুদ্ধের সাথে লড়াই করছে এবং আপনি কেবলমাত্র একমাত্র এমন ব্যক্তি নন যিনি জীবন সমস্যায় পড়েছেন। যা আছে এবং যা অর্জন করেছেন, তা নিয়ে কৃতজ্ঞতার সাথে এগিয়ে যান।

আজকেত পত্রিকা/রিয়া/এমএইচএস