নগর স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন : বিদ্যমান প্রস্তুতি, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জসমূহ’ শীর্ষক সংলাপে এলজিআরডি মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ছবি : মন্ত্রণালয়

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মূল স্পিরিট সকলকে অন্তর্ভুক্তিকরণ ও সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার যথাসাধ্য চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। ২৪ এপ্রিল বুধবার রাজধানীর গুলশানস্থ গার্ডেনিয়া গ্র্যান্ড হলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘নগর স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন : বিদ্যমান প্রস্তুতি, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জসমূহ’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সকলকে নিয়ে একযোগে এগিয়ে যেতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে এলজিআরডি মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এসডিজির লক্ষ্যসমূহ অর্জন করতে পারলে আমাদের ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তরিত হওয়া সহজ হবে।’

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, আমরা সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, নগররের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নসহ নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে চেষ্টা করে যাচ্ছি। যা এসডিজি’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। এদেশে পানিতে লবনাক্ততা ও আর্সেনিক সমস্যা আছে, পানির উপরিভাগেও দূষণ আছে। এ সমস্যাগুলো সমাধানে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো যথাসাধ্য চেষ্টা করছে।’ নাগরিকদেরও এ ব্যাপারে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এলজিআরডি মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ‘স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো যেন রাজস্ব আয় বাড়াতে পারে ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে সে ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে হবে।

সংলাপে টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আইনগত সীমাবদ্ধতা, অর্থের অপর্যাপ্ততা প্রভৃতি বাধাসমূহ কিভাবে কমিয়ে আনা যায় বক্তারা সে ব্যাপারে তাদের মতামত তুলে ধরেন। সংলাপে অংশগ্রহণকারী দুজন পৌরসভার চেয়ারম্যান মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, পৌরসভা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা মূল্যমানের স্থানীয় বিবাদ মীমাংসা করতে পারে; যেখানে ইউনিয়ন পরিষদ ৭৫ হাজার টাকা মূল্যমানের বিবাদ মীমাংসা করতে পারে। মন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে যুক্তিসংগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।

সিপিডির সম্মানিত ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য এবং সিনিয়র গবেষণা সহযোগী উম্মে শেফা রেহবানা। উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, পৌরসভা চেয়ারম্যান, সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা, এনজিওকর্মী, সাংবাদিক, বিদেশী উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পেশাজীবী।

আজকের পত্রিকা/মন্ত্রণালয়/আ.স্ব/