দিনাজপুর খানসামা অটোভ্যানের সার্চলাইটের লাইটিংএ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পথচারীরা।

অটোভ্যান চালকরা পথচারীদের চোখে শক্তিশালী সার্চলাইট এর লাইটিং ফেলানোর জন্যই নিজ নিজ ভ্যানে সার্চলাইট সেটিং করে রেখেছে।

এ উপজেলায় সন্ধ্যার পরই বিভিন্ন মুল সড়কগুলোতে অটো ভ্যানের সার্চলাইটের লাইটিং পথচারীদের চোখে ফেলার যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

এ উপজেলায় কোন ভ্যান চালক কত শক্তিশালী সার্চলাইট ভ্যানে সেটিং করছে তা বুঝা যায় বিভিন্ন কাচাঁ-পাকাঁ সড়কগুলো বের হলে।

এ উপজেলার বিভিন্ন সড়কে অটো ভ্যানগুলোতে বিভিন্ন সাজের ও তীব্র চোখে লাগা শক্তিশালী সার্চলাইট দেখতে পাওয়া যায়।

দেখে সহজেই বুঝা যায় যে, এ উপজেলার ভ্যান চালকরা যেন তীব্র শক্তিশালী সার্চলাইট সেটিং করার প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছে।

পথযাত্রী আব্দুর রহিম বলেন সন্ধ্যার পরে অটো ভ্যানের সার্চ লাইটের লাইটিংএর সামনে উজিয়ালা হয়ে যায় কিন্তু সামনে তীব্র আলোর ঝাঁজে চোখ অন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়ে যায়। কিছুক্ষণের জন্য মনে হয় অন্ধ হয়ে গেছি।

সামনে কি আছে দেখা যায় না।

এতে রাতে অনেক পথযাত্রী দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে।

চৌরঙ্গী বাজারের আলম বলেন অটো ভ্যান গুলোতে দুইটি সার্চলাইট থাকে। যেটি হ্যান্ডেলে সেটি আলো কম আর যেটি পায়ের নিচে থাকে এটির আলো খুব তীব্র চোখে লাগে। আর সার্চ লাইটের তীব্র আলো চোখে লাগলে সামনে কি আছে কিছুই দেখা যায় না।

অনেকের সার্চলাইট এর লাইটিংএ মাথা ব্যথাও শুরু হয়। অথচ ভ্যানের এর নিচের চোখের লাগা সার্চলাইট কোন দরকার নেই।

অটো ভ্যান চালকরা পথযাত্রীকে বিরক্ত করার জন্য নিচে তীব্র শক্তিশালী সার্চলাইট লাগায় যা না লাগালেও ক্ষতি নেই।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অনেক সচেতন মানুষ মনে করে এ ক্ষতিকর অটো ভ্যানে তীব্র শক্তিশালী আলোক রস্মি বা সার্চলাইট এর লাইটিং রাস্তা ঘাটে বন্ধ করতে পারে একমাত্র থানা ও উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সচেতন মানুষ এ বিষয়ে থানা ও উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

-তারিকুল ইসলাম চৌধুরী